মায়ের স্নেহ
রঞ্জন ভট্টাচার্য
ব্যারাকপুর ।
দশ মাস গর্ভে তুই
আমার দায় দায়িত্ব ভালোবাসার ফুল হয়ে
ফুটলি অবশেষে ....
এলি উরসে সব যন্ত্রণা মুছে দিয়ে
মালা হয়ে হৃদয় ।
প্রহরীর মত রেখেছিমায়ের স্নেহ
রঞ্জন ভট্টাচার্য
ব্যারাকপুর ।
দশ মাস গর্ভে তুই
আমার দায় দায়িত্ব ভালোবাসার ফুল হয়ে
ফুটলি অবশেষে ....
এলি উরসে সব যন্ত্রণা মুছে দিয়ে
মালা হয়ে হৃদয় ।
প্রহরীর মত রেখেছি ঘিরে
যম দেব যেন না ছোঁয় ।
কিন্তু কী হলো হায় !
সব বেড়া ভেঙ্গে কোথায় গেলি ?
হৃদয়ের প্রকোষ্ঠ গুলিকে টুকরো টুকরো করে
তোকে না দেখে পাখিরা কাঁদে
বলে না কথা আমার সাথে
নদী আর কল কল স্বরে বহে না রে
বাতাসে যেন স্তব্ধ হয়ে আমার চারপাশে
কী যে বলি ....!
কি দোষ আমার বল ?
মাতৃত্বের ক্ষমতায়ন যেন লোপ পেয়েছে
এখনো চাই তোকে আমার এ বুক জুড়ে ।
শুধু ভোরের আকাশে শুকতারা হাসে
সন্ধ্যাকাশে ধ্রুবতারা স্থির দৃষ্টিতে আমাকে দেখে
আর বলে, এ যে নিয়তি রে
তুই মালা হয়েও পারলি না ।
শুধু ডুকরে ডুকরে কাঁদি আর ভাবি
এ হৃদয়ের মালা ছিঁড়ে কোনো মায়ের কোল যেন শূনা না হয় ।
হে বিধাতা ! তুমি দাতা তুমি ত্রাতা তুমি সর্বশক্তিমান !আর ক্ষণে ক্ষণে অশ্রুসিক্ত হয়ে বলি
রক্ষে কর ওকে তোমারই অমৃতধারা বুকে। ঘিরে
যম দেব যেন না ছোঁয় ।
কিন্তু কী হলো হায় !
সব বেড়া ভেঙ্গে কোথায় গেলি ?
হৃদয়ের প্রকোষ্ঠ গুলিকে টুকরো টুকরো করে
তোকে না দেখে পাখিরা কাঁদে
বলে না কথা আমার সাথে
নদী আর কল কল স্বরে বহে না রে
বাতাসে যেন স্তব্ধ হয়ে আমার চারপাশে
কী যে বলি ....!
কি দোষ আমার বল ?
মাতৃত্বের ক্ষমতায়ন যেন লোপ পেয়েছে
এখনো চাই তোকে আমার এ বুক জুড়ে ।
শুধু ভোরের আকাশে শুকতারা হাসে
সন্ধ্যাকাশে ধ্রুবতারা স্থির দৃষ্টিতে আমাকে দেখে
আর বলে, এ যে নিয়তি রে
তুই মালা হয়েও পারলি না ।
শুধু ডুকরে ডুকরে কাঁদি আর ভাবি
এ হৃদয়ের মালা ছিঁড়ে কোনো মায়ের কোল যেন শূনা না হয় ।
হে বিধাতা ! তুমি দাতা তুমি ত্রাতা তুমি সর্বশক্তিমান !আর ক্ষণে ক্ষণে অশ্রুসিক্ত হয়ে বলি
রক্ষে কর ওকে তোমারই অমৃতধারা বুকে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন